Ads1

এমপিআইয়ে বিভাগীয় প্রধানের বিদায় অনুষ্ঠান

এমপিআইয়ে বিভাগীয় প্রধানের বিদায় অনুষ্ঠান


এমপিআই প্রতিনিধি :: 

মৌলভীবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (এমপিআই) এর ফুড টেকনোলজির বিভাগীয় প্রধান (১ম শিফট) একে এম খাদেমুল বাশারের পদোন্নতি হয়েছে। 

তিনি পদোন্নতি পেয়ে কিশোরগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চিফ ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে যোগদান করবেন। তাঁর পদোন্নতিতে পূর্বের কর্মস্থলে বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) অত্র ইনস্টিটিউটে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের আয়োজনে বিদায়ী শিক্ষককে ক্রেস্ট, উপহার সামগ্রী দিয়ে বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়। 

এসময় অত্র ইনস্টিটিউটের ফুড টেকনোলজির বিভাগীয় প্রধান(২য় শিফট) শেখ মোহাম্মদ আশরাফুল'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একাডেমিক ইনচার্জ ও চিফ ইনস্ট্রাক্টর প্রকৌশলী মোঃ জহীরুল ইসলাম।



এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফুড টেকনোলজির ইনস্ট্রাক্টর উম্মে সারা পুষন, জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর মহসিন আলম মুহিন প্রমূখ। 

গত ৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে মৌলভীবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ফুড টেকনোলজির বিভাগীয় প্রধান একে এম খাদেমুল বাশার কে কিশোরগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চিফ ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে পদোন্নতি করা হয়। 

পদোন্নতির বিষয়টি নিশ্চিত করে খাদেমুল বাশার বলেন, যতদিন এই ইনস্টিটিউটে দায়িত্বরত ছিলাম, আমি আমার দায়িত্ব নিষ্টার সাথে পালন করেছি। আমি যেন আমার নতুন কর্মস্থলের শিক্ষার্থীদেরকে নিজের সর্বোচ্চটুকু বিলিয়ে দিতে পারি। আমি সকলের কাছে দোয়া চাই। 

৬ষ্ঠ পর্বের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, শুধু আমার না আমাদের ইনস্টিটিউটের সকল শিক্ষার্থীদের প্রিয় স্যার ছিলেন উনি, সবার সব সমস্যায় উনি এগিয়ে আসতেন।   উনার বিদায়ে আমরা একদিকে কষ্ট পাচ্ছি আবার উনার পদোন্নতিতে খুশিও হয়েছি। 



সভায় বক্তাগণ বিদায়ী শিক্ষক একে এম খাদেমুল বাশার'র কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন চাকুরী কালীন সময়ে তিনি নিজ দায়িত্ব পালনে সচল ছিলেন। তিনি তার সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে ইনস্টিটিউট সুন্দর ও সুচারুরূপে পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করায় শিক্ষকসহ সকলেই তাঁর ভুয়সি প্রশংসা এবং  দীর্ঘায়ু সুস্থ্য জীবন কামনা করেন। এছাড়াও তাঁর নতুন কর্মস্থলের জন্য শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। 

উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীগণ অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায়ী শিক্ষকের সংবর্ধনা প্রদানকালে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। শিক্ষকের প্রতি এই ধরনের বিরল সংবর্ধনা সহসা চোখে পড়ে না। শিক্ষার্থীদের এ ধরনের অশ্রুসজল ও সম্মাননা প্রদানের মধ্য দিয়ে বিদায় অনুষ্ঠানটি উপস্থিত সকলের হৃদয় স্পর্শ করে।


জাফলং নিউজ /ডেস্ক /শুভ/কামরান